প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদেও এই তেলকে চুলের জন্য পুষ্টিদায়ক বলা হয়। তিলের তেল চুল ও মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তবে ভুলভাবে এই তেল ব্যবহার করলে উপকারের বদলে ক্ষতিও হতে পারে।
চুলের যত্নে
চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা মানেই প্রশ্ন একটাই—মানসিক চাপ চুল পড়ার কারণ, নাকি চুল পড়ার কারণেই মানসিক চাপ বাড়ে? এই বিতর্ক যেমন আছে, তেমনই চুল ঝরা কমানোর নানা ঘরোয়া উপায়ের দাবিও ঘুরে বেড়ায় সামাজিক মাধ্যমে।
শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।
ফিশ অয়েল বা মাছের তেল আসে তেলযুক্ত মাছের টিস্যু থেকে। এতে থাকে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে, ইকোসাপেনটাইনোয়িক অ্যাসিড (ইপিএ) এবং ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড (ডিএইচএ)।
চুল ঝরা, পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালপক্বতা রোধ করতে জবা ফুল বেশ ভালো কাজ করে। জবা ফুলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড চুলে কেরাটিন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে।
তবে চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহারের উপকারিতা গোলাপ জল চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখে ও মাথার ত্বকের সমস্যা কমায়।
অনেকেই তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যাদের মাথার ত্বক থেকেও অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ হয় তাদের এই সমস্যা হয় বেশি। মাথার ত্বকে তেল ও সেবামের নিঃসরণের ফলে দেখা দিতে পারে খুশকি, চুলকানি, চুলের ডগা ভেঙে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা।
রোজ ওয়াটার বা গোলাপ জল— রূপচর্চার ক্ষেত্রে একটি পরিচিত নাম। একে প্রাকৃতিক টোনারও বলা হয়। ত্বককে আর্দ্র রাখতে গোলাপ জলের জুড়ি মেলা ভার। তবে কেবল ত্বক নয়, চুলের জন্যও বেশ উপকারি উপাদানটি। আর তাই ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন।
নিম একটি ওষুধি গাছ। যার ডাল,পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে খুবই কার্যকর।